১. প্রশ্ন: 'অতিথির স্মৃতি' গল্পটি কার লেখা? উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
২. প্রশ্ন: লেখক কার আদেশে দেওঘরে এসেছিলেন? উত্তর: চিকিৎসকের আদেশে।
৩. প্রশ্ন: লেখক কেন দেওঘরে এসেছিলেন? উত্তর: বায়ু পরিবর্তনের জন্য।
৪. প্রশ্ন: লেখক দেওঘরে কেমন বাড়িতে থাকতেন? উত্তর: একটি প্রাচীর ঘেরা বাগানের মধ্যে।
৫. প্রশ্ন: লেখক রাত কয়টা থেকে গান শুনতে পেতেন? উত্তর: রাত্রি তিনটে থেকে।
৬. প্রশ্ন: কে একঘেয়ে সুরে ভজন শুরু করত? উত্তর: পাশের বাড়ির কোনো এক ব্যক্তি।
৭. প্রশ্ন: ভজন শুনে লেখকের কী ভেঙে যেত? উত্তর: লেখকের ঘুম ভেঙে যেত।
৮. প্রশ্ন: লেখক ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে কোথায় বসতেন? উত্তর: বারান্দায় এসে বসতেন।
৯. প্রশ্ন: কোন পাখি সবচেয়ে ভোরে ওঠে? উত্তর: দোয়েল।
১০. প্রশ্ন: দোয়েলের পর একে একে কোন পাখিরা আসতে থাকে? উত্তর: শ্যামা, শালিক ও বুলবুলি।
১১. প্রশ্ন: টুনটুনি পাখি কোথায় বসে থাকত? উত্তর: পাশের বাড়ির আমগাছে বা বকুল-কুঞ্জে।
১২. প্রশ্ন: বকুল-কুঞ্জে কোন পাখিরা নেচে বেড়াত? উত্তর: টুনটুনিরা।
১৩. প্রশ্ন: অশ্বত্থগাছের মাথায় কোন পাখিদের দেখা যেত? উত্তর: একজোড়া বেনে-বৌ (হলুদ পাখি)।
১৪. প্রশ্ন: বেনে-বৌ পাখিরা কখন আসত? উত্তর: একটু দেরি করে।
১৫. প্রশ্ন: বেনে-বৌ পাখিরা ইউক্যালিপটাস গাছের কোথায় বসত? উত্তর: সবচেয়ে উঁচু ডালটিতে।
১৬. প্রশ্ন: বেনে-বৌ পাখিরা কতদিন না আসায় লেখক ব্যস্ত হয়ে উঠেছিলেন? উত্তর: দু-তিন দিন।
১৭. প্রশ্ন: ব্যাধদের ব্যবসা কী? উত্তর: পাখি চালান দেওয়া।
১৮. প্রশ্ন: ব্যাধেরা পাখিদের কী করে? উত্তর: ধরে নিয়ে চালান দেয়।
১৯. প্রশ্ন: কত দিনের দিন বেনে-বৌ পাখিরা আবার ফিরে এসেছিল? উত্তর: তিন দিনের দিন।
২০. প্রশ্ন: লেখক বিকেলে কোথায় গিয়ে বসতেন? উত্তর: গেটের বাইরে পথের ধারে।
২১. প্রশ্ন: লেখক পথের ধারে বসে কাদের চলাফেরা দেখতেন? উত্তর: বায়ু পরিবর্তনের জন্য আগত রোগীদের।
২২. প্রশ্ন: বেরিবেরি রোগের আসামিদের পা কেমন ছিল? উত্তর: পা ফোলা।
২৩. প্রশ্ন: বেরিবেরির আসামিরা লজ্জায় পা ঢেকে রাখার জন্য গরমের দিনেও কী করত? উত্তর: মোজা পরত।
২৪. প্রশ্ন: পা ফোলা ঢাকার জন্য কেউ কেউ কেমন শাড়ি পরত? উত্তর: যে শাড়ির দৈর্ঘ্য বেশি অর্থাৎ মাটি পর্যন্ত পৌঁছায়।
২৫. প্রশ্ন: লেখক সবচেয়ে বেশি কার জন্য দুঃখ অনুভব করতেন? উত্তর: এক দরিদ্র ঘরের মেয়েটির জন্য।
২৬. প্রশ্ন: দরিদ্র ঘরের মেয়েটির সাথে কারা ছিল? উত্তর: তার তিনটি ছোট ছোট ছেলেমেয়ে।
২৭. প্রশ্ন: মেয়েটির বয়স আনুমানিক কত ছিল? উত্তর: চব্বিশ-পঁচিশ বছর।
২৮. প্রশ্ন: মেয়েটির শারীরিক অবস্থা কেমন ছিল? উত্তর: অত্যন্ত শীর্ণ ও ফ্যাকাশে।
২৯. প্রশ্ন: মেয়েটির কোলে কী ছিল? উত্তর: একটি ক্ষুদ্র শিশু।
৩০. প্রশ্ন: মেয়েটি কেন হাঁটতে পারছিল না? উত্তর: অসুস্থতা ও শক্তির অভাবে।
৩১. প্রশ্ন: বিকেলে বেড়াতে যাওয়ার পথে কার সাথে লেখকের পরিচয় হয়েছিল? উত্তর: একটি কুকুরের সাথে।
৩২. প্রশ্ন: লেখক কুকুরটিকে কী বলে সম্বোধন করেছিলেন? উত্তর: ‘অতিথি’।
৩৩. প্রশ্ন: অন্ধকার পথে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার জন্য লেখক কাকে অনুরোধ করেছিলেন? উত্তর: কুকুরটিকে।
৩৪. প্রশ্ন: কুকুরটি কোথায় দাঁড়িয়ে ল্যাজ নাড়তে লাগল? উত্তর: গেটের বাইরে।
৩৫. প্রশ্ন: লেখক চাকরকে ডেকে কী নির্দেশ দিয়েছিলেন? উত্তর: গেট খোলা রাখতে এবং কুকুরটি এলে তাকে খেতে দিতে।
৩৬. প্রশ্ন: পরদিন সকালে লেখক কুকুরটিকে কী জিজ্ঞেস করেছিলেন? উত্তর: কাল তাকে নেমন্তন্ন করা সত্ত্বেও সে কেন আসেনি।
৩৭. প্রশ্ন: বামুনঠাকুরকে লেখক কী বলে দিয়েছিলেন? উত্তর: কুকুরটি লেখকের অতিথি, তাকে যেন পেট ভরে খেতে দেওয়া হয়।
৩৮. প্রশ্ন: বাগানের খাবারের প্রবল অংশীদার কে ছিল? উত্তর: মালিনী (মালির বউ)।
৩৯. প্রশ্ন: মালিনীর বয়স এবং স্বভাব কেমন ছিল? উত্তর: বয়স কম, দেখতে ভালো এবং খাওয়া সম্বন্ধে সে ছিল নির্বিকারচিত্ত।
৪০. প্রশ্ন: লেখকের অতিথি কেন উপোস করত? উত্তর: মালিনী সব খাবার কেড়ে নিত বলে।
৪১. প্রশ্ন: লেখক কুকুরটিকে কী জিজ্ঞেস করেছিলেন? উত্তর: হাড়গুলো চিবোতে কেমন লেগেছে।
৪২. প্রশ্ন: হঠাৎ লেখকের শরীর খারাপ হওয়ায় কতদিন তিনি নিচে নামতে পারেননি? উত্তর: দু-একদিন।
৪৩. প্রশ্ন: দুপুরবেলা চাকরেরা যখন ঘুমিয়ে ছিল, তখন লেখক জানালার বাইরে কার ছায়া দেখতে পান? উত্তর: কুকুরটির (অতিথির)।
৪৪. প্রশ্ন: মালিনী কেন কুকুরটিকে মারধর করে বের করে দিয়েছিল? উত্তর: তার খাবারের ভাগে টান পড়বে ভেবে বা অবজ্ঞাবশত।
৪৫. প্রশ্ন: লেখক যখন কুকুরটিকে ভেতরে আসতে বললেন, তখন সে কী করল? উত্তর: সে ভেতরে এলো না, বাইরে দাঁড়িয়েই ল্যাজ নাড়তে লাগল।
৪৬. প্রশ্ন: কার ভয়ে অতিথি বাড়ির ভেতরে ঢোকার সাহস পাচ্ছিল না? উত্তর: মালি-বৌয়ের (মালিনী) ভয়ে।
৪৭. প্রশ্ন: ‘আজ তো অনেক খাবার বেঁচেছে, সে সব হলো কী?’—লেখকের এই প্রশ্নের জবাবে চাকর কী বলেছিল? উত্তর: মালি-বৌ সব চেঁছেপুছে নিয়ে গেছে।
৪৮. প্রশ্ন: মালি-বৌয়ের ভয় চলে যাওয়ার পর অতিথি কোথায় স্থান করে নিল? উত্তর: বারান্দার নিচে উঠানের ধুলোয়।
৪৯. প্রশ্ন: দেওঘর থেকে বিদায় নেওয়ার দিন লেখক কেন দু-দিন দেরি করেছিলেন? উত্তর: নানা ছলে (মূলত অতিথির মায়ার কারণে)।
৫০. প্রশ্ন: লেখক কোন সময়ের ট্রেনে দেওঘর থেকে বিদায় নিয়েছিলেন? উত্তর: দুপুরের ট্রেনে।
৫১. প্রশ্ন: মালপত্র বোঝাই দেওয়ার সময় কে সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত ছিল? উত্তর: অতিথি (কুকুরটি)।
৫২. প্রশ্ন: কুলি ও গাড়িগুলোর সঙ্গে ক্রমাগত ছোটাছুটি করে কে খবরদারি করছিল? উত্তর: অতিথি।
৫৩. প্রশ্ন: স্টেশন পৌঁছে নামার পর লেখক কাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেন? উত্তর: অতিথিকে।
৫৪. প্রশ্ন: ট্রেনের টিকিট কেনা ও মালপত্র তোলা হওয়ার পর ট্রেনের ছাড়তে আর কত সময় বাকি ছিল? উত্তর: এক মিনিট।
৫৫. প্রশ্ন: স্টেশনে যারা মালপত্র তুলে দিতে এসেছিল, তারা সবাই কী পেল? উত্তর: বকশিস।
৫৬. প্রশ্ন: ট্রেনের সবাই বকশিস পেলেও কে পেল না? উত্তর: অতিথি।
৫৭. প্রশ্ন: যাওয়ার আগে ঝাপসা দৃষ্টিতে লেখক অতিথিকে কোথায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেন? উত্তর: স্টেশনের ফটকের (গেট) বাইরে।
৫৮. প্রশ্ন: ট্রেন ছেড়ে দেওয়ার পর লেখকের মনের অবস্থা কেমন ছিল? উত্তর: বাড়ি ফিরে যাওয়ার কোনো আগ্রহ খুঁজে পাচ্ছিলেন না।
৫৯. প্রশ্ন: দেওঘর থেকে ফিরে যাওয়ার সময় লেখকের মনে কোন ভাবনাটি কষ্ট দিচ্ছিল? উত্তর: অতিথি ফিরে গিয়ে দেখবে লোহার গেট বন্ধ, তার ঢোকার পথ নেই।
৬০. প্রশ্ন: লেখক কোন স্মৃতির ওপর ভিত্তি করে এই গল্পটি লিখেছেন? উত্তর: দেওঘরে বাসের কটা দিনের স্মৃতি।